217591

‘বালতি থেরাপি’ শাহজালাল বিমানবন্দরে

ডেস্ক রিপোর্ট।। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। ভিজে যাওয়া থেকে রক্ষা পেতে অপেক্ষমাণ যাত্রী ও তাদের স্বজনরা ২ নম্বর টার্মিনালের বহিঃগমন লাউঞ্জে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু সেখানেও ভিজে যাচ্ছেন তারা। কারণ ছাদ চুইয়ে পড়ছে পানি।

সিলিংয়ের ছিদ্র ও ফাটল বন্ধ করতে চলছে কর্তব্যরত কর্মীদের সকরুণ চেষ্টা। তবু মেঝে ভেসে যাচ্ছে পানিতে। সেই ভেসে যাওয়া ঠেকাতে স্থানে স্থানে পেতে রাখা হয়েছে বালতি। দেশের সবচেয়ে বড় এবং আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে এমন ‘বালতি থেরাপি’ দেখে ভীষণ বিস্মিত হয়ে যান উপস্থিত অনেকেই। এমন দৃশ্য বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করেÑ এমনটিও বলছিলেন কেউ কেউ।

গতকাল সকালে বৃষ্টির পর শাহজালাল বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে ঘুরে এ প্রতিবেদক এমন দৃশ্য দেখতে পান। বিশেষ করে দোতলার বহিঃগমন লাউঞ্জের অবস্থা খুবই নাজুক; কমপক্ষে ১৩টি স্থানের ছাদ চুইয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় পানি পড়তে দেখা গেছে। কোথাও আবার বৈদ্যুতিক বাতির হোল্ডার আর তার বেয়ে পানি ঝরছে। ফলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটাও বিচিত্র নয়। বৃষ্টির পানিতে ভিজে মালামাল ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো রয়েছেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সিলিং বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় বাইরে বৃষ্টি থেমে গেলেও ছাদে জমে থাকা পানি দীর্ঘ সময় ধরে ভেতরে ঝরতে থাকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিমানবন্দরের একাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী জানান, বৃষ্টি এলেই একাধিক জায়গায় সিলিং বেয়ে পানি চুইয়ে পড়ে। এই পানি যাত্রীদের পায়ে পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে করে ফ্লোর পিচ্ছিল ও কর্দমাক্ত হয়ে যায়।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ্ আল ফারুক আমাদের সময়কে বলেন, ছাদ চুইয়ে পড়া বৃষ্টির পানি ঠেকাতে আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সংস্কারের কাজ চলছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।

ad

পাঠকের মতামত