প্রেমিকের বাবাকে যেভাবে খুন করেন কনিকা
নিউজ ডেস্ক।। পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে ছেলে। আর তাতে বাধা দেন বাবা। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন প্রেমিকা লাবনী আক্তার কনিকা। যার ফলে একটি খুনের ঘটনা ঘটে। প্রেমিকের বাবাকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেন এই তরুণী। শেষপর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়েন কনিকা।
হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনাও দিয়েছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
কনিকার প্রেমিকের বাবার নাম শাহ আলম ভূঁইয়া। জনশক্তি ব্যবসায়ী ছিলেন। ঘটনা গত ৮ এপ্রিল বিকালের। ৭৫ বছর বয়সী শাহ আলমকে খিলগাঁও তিলপাপাড়া বাসা থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যান কনিকা।
এরপর সেখানেই একটি টিনশেডের বাসার মধ্যে শ্বাসরোধ করে শাহ আলমকে খুন করা হয়। কনিকার সঙ্গে এ ‘কিলিং মিশনে’ আরো কয়েকজন যোগ দিয়েছিলেন।
পুলিশকে দেয়া স্বীকারোক্তিতে কনিকা জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে বাসায় ডেকে নিয়ে শাহ আলমকে শ্বাসরোধে হত্যার পর তার লাশ সুটকেসে ভরে গুমের উদ্দেশে অটোরিকশায় করে ঢাকার সড়কে ঘুরতে থাকেন কয়েক ঘণ্টা। তারপর টাকা ভাঙতি নেয়ার কথা বলে অটোরিকশায় লাশ রেখে সটকে পড়েন কনিকা।
সবুজবাগ থানাধীন মাদারটেক লেগুনা স্ট্যান্ডের কাছে এই ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
শাহ আলমের মেয়ে নাসরিন জাহান মলি জানান, তার ভাই সৈকতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল কনিকার। বিষয়টি নিয়ে প্রায়ই ঝামেলা হতো। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সৈকতকেও আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।




