‘এখন কে আমাদের আদর করবে’
নিউজ ডেস্ক।। ‘ছোটবেলায় বাবা-মা হারানোর স্মৃতি মনে নেই। এই ভাইই ছিলেন আমাদের দুই ভাইয়ের বাবা-মায়ের মতো। আজ ভাই চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। এখন কে আমাদের বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করবে! কে আমাদের লেখাপড়া করাবে।’
কান্না করতে করতে এ সব কথা বলছিল ঢাকায় দুই বাসের চাপায় প্রাণ হারানো তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হোসেনের ছোট ভাই হাফেজ আবদুল্লাহ (১১)।
আবদুল্লাহ বলছিল, এখন আমরা কী করব, কীভাবে চলব, কোথায় গিয়ে দাঁড়াব কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।’
আরেক ভাই মেহেদী হাসান (১৪) বলছিল, ‘আমাদের এই ভাই-ই ছিলেন আশ্রয়স্থল। তিনিই ছিলেন আমাদের একমাত্র সম্বল। তাকে হারিয়ে আজ আমরা একেবারেই এতিম।’
পটুয়াখালীর বাউফলের দাসপাড়া গ্রামে বুধবার নানা-নানির কবরের পাশেই সমাহিত করা হয়েছে রাজীবকে। সেখানেই তার স্বজনদের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকদের।
রাজিবের বাবা হেলাল উদ্দিন মারা যান ২০১১ সালে। আর মা নাসিমা বেগম মারা যান ১৫ বছর আগে ২০০৫ সালে। এরপর ছোট্ট দুই ভাইকে দেখাশুনা করতেন রাজীব। ছোট দুই ভাই ঢাকার একটি মাদ্রাসায় পড়ে।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মাছুমুর রহমান জানান, সরকার রাজীবের দুই ভাইয়ের পাশে আছে এবং থাকবে। সরকারের পাশাপাশি সমাজের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের উচিৎ এই এতিম শিশু দুটির পাশে দাঁড়ানো।




