নিজের বৃত্তির টাকায় দরিদ্র শিশুদের পড়ান হাসিনা
![]()
![]()
![]()
![]()
নিউজ ডেস্ক।। কথায় বলে, ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। ইচ্ছে অনেকদিনই ছিল পশ্চিমবঙ্গের মালবাজার মহকুমার ক্রান্তির রহমতটারির বাসিন্দা শেখ হাসিনা বানুর। কিন্তু উপায় খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে মাথায় খেলে যায় দারুণ এক বুদ্ধি। আর সেই বুদ্ধির জোর ও আত্মত্যাগেই স্বপ্নপূরণ হল তার। হাসিনার কাজে আর গর্বিত ও মুগ্ধ এলাকাবাসী।
কলকাতার মালবাজার এলাকার বাসিন্দা শেখ হাসিনা বানু। মাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তিনি। ছোট থেকেই অন্যের সাহায্যে এগিয়ে যেতে ভালবাসতেন। নিজের জন্য নয়, অন্যের জন্য কিছু করাই ছিল তার স্বপ্ন।
তাই নিজের কাছেই প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, গরিব শিশুদের মধ্যে জ্ঞানের আলো জ্বালাতে কাজ করবেন তিনি। এসব শিশুদের পড়াশোনার খরচের দায়িত্বও নেয়ার ইচ্ছাও ছিল হাসিনার। তার প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল অর্থ। কিন্তু নিজের সৎ ইচ্ছা পূরণের জন্য একটা পথ খুঁজে বের করলেন। স্কুল ছাত্রীদের জন্য সরকারিভাবে চালু করা কন্যাশ্রী প্রকল্পকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নিলেন হাসিনা।
![]()
![]()
![]()
![]()
তিন বছর ধরে কন্যাশ্রী থেকে যে টাকা পেয়েছেন, সবটাই ব্যাংকে রেখেছিলেন তিনি। আর এখন সেই টাকা দিয়েই ৪২ জন গরিব এবং স্কুল ছুট ছেলে মেয়েদের প্রতিদিন নিজের বাড়িতে পড়াশোনা শেখান হাসিনা। পাশাপাশি সেই অর্থ দিয়েই তাদের জামাকাপড় এবং সপ্তাহে এক দিন খাবার ব্যবস্থা করেছেন। হাসিনা বলেন, ‘মমতা দিদি (পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়) কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু করায় আজ আমি সেই টাকা দিয়ে গরিব মানুষের সেবা করছি। এই বৃত্তি চালু না হলে আজ আমার স্বপ্নপূরণ হত না।’
একেই হয়তো প্রকৃত শিক্ষিত বলে। এভাবেই এলাকায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন হাসিনা। উৎস : সংবাদ প্রতিদিন




