সাঈফ আলী খান কোর্টরুম ছাড়ার আগে সালমান খানকে কী পরামর্শ দিলেন?
![]()
![]()
![]()
![]()
বিনোদন ডেস্ক।। একই দোষে দুষ্ট হয়েও একজনের ভাগ্যে জুটল বাড়ির খাওয়া আর অন্যজনের ভাগ্যে জুটল জেলের হাওয়া। ২০ বছর আগে রাজস্থানে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় বৃহস্পতিবারই যোধপুর আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছেন সলমন খানকে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার সাজা শুনিয়েছে আদালত।
পাশাপাশি এই মামলায় অভিযুক্ত সঈফ আলি খান, নীলম, টাব্বু এবং সোনালি বেন্দ্রেকে বেকসুর খালাস করেছে আদালত। ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালীন এই কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এই পাঁচ বলিউড সেলেব। যোধপুরের কঙ্কাণি গ্রামে ঢুকে ২টি কৃষ্ণসার হরিণকে হত্যা করা হয়।
![]()
![]()
![]()
![]()
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, কোর্টরুমের ভেতর সলমন খুব চুপচাপ ছিলেন। অন্য অভিযুক্তরা সলমনের থেকে দুরত্ব বজায় রেখে বসেছিলেন। কিন্তু আদালতের রায় ঘোষণা হওয়ার পরই সলমনকে ঘিরে ধরে আশ্বাস দিতে থাকেন অন্য সেলেবরা। সলমনের সাজা ঘোষণা হওয়ার আগেই তাঁকে ছেড়ে বেড়িয়ে যান সঈফ সহ অন্যান্যরা। তবে সঈফ আলি খান সৌজন্যতা দেখিয়ে সলমনের সঙ্গ করমর্দন করে তাঁকে ‘গুড লাক’ জানিয়ে কোর্টরুম ছাড়েন।
যদিও সলমনের সঙ্গে এরপর আর দেখা করেননি সঈফ বা অন্য সেলেবরা। তাঁরা সোজা মুম্বইয়ের পথে রওনা দেন। অন্যদিকে, মুম্বইয়ে গ্যালাক্সির বিলাসবহুল বেডরুম ছেড়ে বৃহস্পতিবার রাতে সলমনকে যোধপুরের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেই রাত কাটাতে হয়।




