তারেক-জোবাইদা অযোগ্য হতে পারেন নির্বাচনে!
নিউজ ডেস্ক।। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপির ভবিষ্যত কর্ণধার নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। বিকল্প হিসেবে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের নাম ঘুরেফিরে আসছে। কিন্তু এ দুজনও নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য হতে পারেন বলে জানা গেছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে।
![]()
![]()
![]()
![]()
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা বাংলাদেশের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত নন। অথচ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইনানুযায়ী, কেবলমাত্র ভোটাররাই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। ফলে প্রার্থী হওয়া তো দূরের কথা, ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকারও রাখেন না তারা।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রায় দশ বছর ধরে লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান এখনও বাংলাদেশের ভোটার হননি। তাছাড়া ভোটার হতে হলে স্বশরীরে বাংলাদেশে উপস্থিত হতে হবে। কিন্তু জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তারেক রহমান ১০ বছরসহ ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ফলে আইনের চোখে তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী। আদালত যদি তারেক রহমানের সাজা স্থগিতও করেন, তারপরও তিনি বাংলাদেশের ভোটার না হওয়ার কারণে নির্বাচনে অযোগ্য।
জানা যায়, সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রণীত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ এর ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো নির্বাচনী এলাকার যে কোনো ভোটার উক্ত এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬ (১) এর অধীন সদস্য হওয়ার যোগ্য যে কোনো ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করতে পারবেন, তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ব্যক্তি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না থাকেন।
![]()
![]()
![]()
![]()
ইসি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এখনো ভোটার হননি। ভোটার এলাকা হিসেবে ক্যান্টনমেন্টের শহীদ মইনুল হোসেন রোড এবং বগুড়ার গাবতলী এবং তারেক রহমান, জোবাইদা রহমানের পিতা-মাতার নাম যোগ করে অনুসন্ধান করে তাদের ভোটার হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রও তারেক রহমান এবং জোবাইদা রহমানের ভোটার না হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে। উৎস: বিডি-জার্নাল।




