212155

তারা ছোটবেলারও বন্ধু

বিনোদন ডেস্ক।। জাহিদ হাসান ও আফসানা মিমি একে অন্যের খুব ভালো বন্ধু। তাদের কাছে বন্ধুত্ব হচ্ছে এমনই এক বিশ্বাসের নাম, বহুদিন দেখা না হলেও, যা বেঁচে থাকে আপন বিশ্বাসে। সম্প্রতি দু’জনই দুটি ভিন্ন নাটকের কাজ করছিলেন রাজধানীর উত্তরার একই শুটিং হাউজে। জাহিদ হাসান শুটিং করছিলেন শুটিং হাউজের চতুর্থ তলায় আর আফসানা মিমি দ্বিতীয় তলায়। বিকালের আলোয় যখন সেদিনের মতো শুটিং শেষ করে জাহিদ গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা হচ্ছিলেন তখনই মিমি জানতে পারেন অল্পকিছুক্ষণের মধ্যেই জাহিদ হাসান শুটিং হাউজ ত্যাগ করবেন। মিমি ছুটে গেলেন নিচে।

মিমিকে দেখে জাহিদও অবাক হলেন যে একই হাউজে শুটিং করছেন অথচ দু’জনের কেউই জানতেন না। দুই বন্ধুর দেখা হওয়া এবং আবেগঘন কিছু মুহূর্ত সেই সময়ই ফ্রেমবন্দি করা হয়। খুব অল্প সময়ের গল্পে জানানো যায় ১৯৮৯-৯০ সালে দু’জন মঞ্চে কাজ করার সময় জানতে পারেন যে ছোটবেলায় তারা একই স্কুলে পড়েছেন। সিরাজগঞ্জ জাহিদ হাসানের জন্মস্থান। ছোটবেলায় আফসানা মিমিকে সেখানকার স্কুলে পড়তে হয়েছিল। জাহিদ ও মিমি সিরাজগঞ্জের হৈমবালা স্কুলে একসঙ্গে একই শ্রেণিতে পড়েছেন। আর তা জেনেছেন বড় হয়ে। সেই থেকে দু’জন যেন একে অন্যের খুব ভালো বন্ধু এবং সেই বন্ধুত্ব আজও অটুট। বন্ধু আফসানা মিমি প্রসঙ্গে জাহিদ হাসান বলেন, আফসানা মিমি আমার খুউব ভালো একজন বন্ধু। দারুণ ভালোবাসা দিয়ে বন্ধুত্ব সম্পর্কটাকে আগলে রাখে মিমি। সে একজন গুণী নির্মাতাও বটে, ভীষণ খুঁতখুঁতে নির্মাণের ব্যাপারে।

একজন গুণী অভিনেত্রী তো নিশ্চয়ই। এমন বন্ধু পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। মিমির জন্য সবসময়ই শুভকামনা। জাহিদ হাসান জানান, ‘কনে দেখা আলো’সহ বহু নাটকে তারা একসঙ্গে কাজ করেছেন। আফসানা মিমির নির্দেশনাতেও জাহিদ হাসান অভিনয় করেছেন। জাহিদ হাসান প্রসঙ্গে মিমি বলেন, জাহিদ আর আমি থিয়েটারের বন্ধু। কিন্তু একসময় গল্পে গল্পে আমরা আবিষ্কার করলাম ছোটবেলায় একই বছরে, একই স্কুলে একই শ্রেণিতে আমরা পড়তাম। সেই হিসেবে জাহিদ আর আমি ছোটবেলারও বন্ধু। এটা জানার পর কিন্তু আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কটা আরো দৃঢ় হয়। সহজ কথায় জাহিদ আমার খুউব ভালো বন্ধু। আমরা একসঙ্গে টিভি পর্দায় অনেক নাটকে, টেলিফিল্মে অভিনয় করেছি। কত যে মধুর মধুর স্মৃতি আছে, তা না হয় স্মৃতি হয়েই থাকুক। নিঃসন্দেহে জাহিদ একজন গুণী অভিনেতা। এখনো জাহিদ নিয়মিত অভিনয় করছে, কিন্তু আমি নিয়মিত নই।

ad

পাঠকের মতামত