হলি আর্টিজানে হামলা: ৭ দিনের রিমান্ড ‘শীর্ষ জঙ্গির’
নিউজ ডেস্ক।।
গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী ‘নব্য জেএমবি’ নেতা হাদিসুর রহমান সাগরের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার দশ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম রিমান্ডের এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির এই রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানিকালে আসামি সাগরের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
এর আগে গত ২১ মার্চ গভীররাতে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাগরকে গ্রেপ্তার করে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হাদিসুর রহমান সাগর গুলশানের হলি আর্টিজান হামলার ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন পলাতক আসামি। সে ওই হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করেছিল। ২০১৪-১৫ সালে তামিম চৌধুরীর হাত ধরে সে নব্য জেএমবিতে যোগ দেয়। নব্য জেএমবিতে সে বোমা তৈরির কারিগর হিসেবেও পরিচিত ছিল তার।
মামলাটিতে হামলার মূল সমন্বয়ক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র্যাাশ, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। এর আগে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের ওপর গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা। গ্রেনেড হামলায় ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন নিহত হন। পরে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। অভিযানে ছয় জঙ্গির সবাই নিহত হন।




