208822

এমন হারের পর যা বললেন সাকিব

আরও একটি স্বপ্নভঙ্গের গল্পই লেখা হলো। ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলানো ম্যাচের শেষ হাসিটা হাসলো ভারত। জয়ের খুব কাছে গিয়েই হারতে হলো টাইগারদের। তবে চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি তারা। ব্যাটিং স্বর্গে ১৬৭ রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই করেছেন। ম্যাচের কিছু মুহূর্তে মনে হয়েছিল জয়ের পাল্লাটা বাংলাদেশের পক্ষেই। কিন্তু ভাগ্যদেবী সঙ্গে ছিলেন না বলেই হয়তো এ হার। তাই ম্যাচে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান আফসোস করেই বললেন, শতভাগ দিয়েও জেতা গেলো না।

ফাইনালে ভাগ্যটাই শুধু ছিলো না বাংলাদেশের পক্ষে। তা না হলে বাউন্ডারি লাইনে এমন ক্যাচে কেন আউট হবেন তামিম ইকবাল। মাহমুদউল্লাহ-সাকিবরাই বা কেন রান আউট হবেন? তাই আফসোসটা লুকাতে পারেননি অধিনায়ক, ‘আমরা জানতাম ১৬৬ রান নিয়ে লড়াই করা অনেক কঠিন হবে। তবে আমাদের ভালো অনুভব আছে কারণ দলের সবাই সেরাটা দিয়েছে। তাদের শতভাগ দিয়েছে। এভাবে হারা অনেক কষ্টদায়ক। তবে আমরা ভালো খেলেছি।’

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে পারে ভারতীয়রা। আর এটাই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন সাকিব, ‘আপনি এমন ফাইনাল খুব বেশি একটা দেখবেন না। আমার মনে হয় আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছি। এই ম্যাচে যে কেউ জিততে পারতো। তবে ভারত তাদের স্নায়ুচাপ দারুণভাবে ধরে রেখেছে।’

রোববার নিজেদের ইনিংসের শুরুটা ভালোই করে বাংলাদেশ। তাতে আঘাত হানেন ভারতীয়রা। এরপর টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানো। কিন্তু যুজবেন্দ্র চাহাল ও ওয়াশিংটন সুন্দরের ঘূর্ণিতে বার বারই ম্যাচে পিছিয়ে পরেন তারা। তবে সাব্বির রহমানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পায় টাইগাররা। ১৬৬ রানের। তাই নিয়ে ভারতের দলীয় ৩৩ রানে জোড়া উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। এরপর ভারতীয়দের প্রতিরোধ। এরপর ১৫ রানের ব্যবধানে আবার জোড়া আঘাত। আবার জুটি গড়ে এগিয়ে যায় ভারত। ১৮তম ওভারে জাদুকরী এক ওভার বোলিং করে ম্যাচ ফিরিয়ে আনেন মোস্তাফিজুর রহমান। উইকেট-মেডেন। কিন্তু লাভ হয়নি। পরের ওভারে রুবেল হোসেনের ওভারেই শেষ হয় স্বপ্ন। ২২ রান দেন। শেষ ওভারে ১২ আর আটকাতে পারেননি পার্ট টাইম বোলার সৌম্য সরকার। ফলে হারের ক্ষত নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ad

পাঠকের মতামত