জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ২৮ মার্চ
নিউজ ডেস্ক।।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করার বিষয়ে শুনানি শেষে পরবর্তী কার্যক্রম ২৮ ও ২৯ মার্চ দিন ধার্য হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে এ মামলার কার্যক্রমে এই আদেশ দেওয়া হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, আমিনুল ইসলাম, সানাউল্লাহ মিয়া, জাকির হোসেন প্রমুখ। অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ। এবছর ২৫ জানুয়ারি বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান যুক্তি উপস্থাপনের জন্য এদিন ধার্য করেন।
ওই মামলার অন্য আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। সূত্র ডিবিসি, সময় টিভি










