প্রেমে ব্যর্থ হয়ে চুরি ছেড়ে খুনের পেশায় রসু
দেশব্যাপী আলোচিত সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে চাঁদপুরের আদালত। মঙ্গলবার (৬ মার্চ) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক আবদুল মান্নান এই রায় প্রদান করেন।
অপর সাজাপ্রাপ্তরা হলো জহিরুল ইসলাম ও ইউনুছ। এদের মধ্যে ইউনুছ পলাতক রয়েছে। ২০১০ সালের ফরিদগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত পারভীন হত্যা মামলায় এই রায় দেয়া হয়।
১১ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এই খুনী বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে আছে। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৯টি মামলার একটির রায় হয়েছে।
চাঁদপুরের মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খান ভালবাসায় পরাস্ত হয়ে এক সময় সিরিয়ার কিলারে পরিনত হয়। ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর এক এক করে তার লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের চিত্র বেরিয়ে আসে।
ট্রাইবুন্যাল এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. হাবিবুল ইসলাম তালুকদার জানান, মামলাটি দীর্ঘ ৯ বছর চলমান থাকা অবস্থায় আদালত ১৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন এবং আসামীরা তাদের অপরাধ স্বীকার করায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর (৯) এর ৩ ধারা এবং দন্ডবিধি ৩০২/৩৪ ধারায় এই রায় প্রদান করা হয়।
রসুখাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা ছাড়াও আদালতে আরো ৭টি মামলা রয়েছে।




