অকালেই চলে গেলেন দ্বীপশিখা, মেয়েকে বাঁচিয়ে রাখতে এগিয়ে এলেন বাবা
দীপশিখার কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করা হয় বুধবার রাতেই। এছাড়াও, তার চোখ সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেগুলোও প্রতিস্থাপন করার কথা বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে।
মৃত্যুর পরেও অমর হয়ে থাক তাঁদের মেয়ে দীপশিখা। এই ভাবনা থেকেই তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করলেন কন্যা হারানো সমর সামন্ত ও তাঁর স্ত্রী।
গত রবিবার পথ দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর চোট পায় হলদিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ছাত্রী দীপশিখা সামন্ত। বয়স মাত্র ২১।
তড়িঘড়ি দীপশিখাকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে বুধবার দুপুর ২টো নাগাদ ‘ব্রেন ডেথ’ হয় তার। রাত আটটা নাগাদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
এরপরেই তার পরিবার মৃত মেয়ের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করার সিদ্ধান্ত নেন। এবং বুধবার রাতেই অঙ্গ সংরক্ষণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়।
দীপশিখার কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করা হয় সেদিন রাতেই। এছাড়াও, তার চোখ এবং ত্বক সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেগুলোও প্রতিস্থাপন করার কথা বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে।
দীপশিখার বাবা, সমর সামন্ত হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদে কর্মরত। বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে হলদিয়ার দুর্গাচকের অনসূয়া আবাসনে নিজের বাড়িতে ফেরেন তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার হলদিয়া মেলায় আশা ভোঁসলের অনুষ্ঠান দেখে বাড়ি ফেরার সময়ে বাইক থেকে পড়ে যান দীপশিখা।




