200911

সিলেট থেকে ট্রেনে ফিরলো জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা

ফেবারিট হিসেবে শুরু করে ত্রিদেশীয় সিরিজে হার, এরপর টেস্ট সিরিজও হাতছাড়া ১-০তে। শেষ ভরসা হয়ে ছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজটি। এখানে এসে আরও বড় লজ্জায় পড়তে হলো বাংলাদেশকে। শ্রীলঙ্কার কাছে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েই দুঃস্বপ্নের সিরিজের ইতি টেনেছে টাইগাররা।

সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে লক্ষ্যটা অনেক বড় ছিল বাংলাদেশের, ২১১ রানের। শেষ পর্যন্ত তারা ৮ বল বাকি থাকতেই গুটিয়ে গেছে ১৩৫ রানে । ফলে হারের ব্যবধানটাও বেশ বড়। শ্রীলঙ্কা ম্যাচটি জিতেছে ৭৫ রানে।

তবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সোমবারের (১৯ ফেব্রুয়ারি) ম্যাচে অংশ নিতে ম্যাচের পরপরই বাংলাদেশের স্কোয়াডে থাকা বেশ কজন ক্রিকেটার ঢাকা ফিরেছেন। খবর পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে অনেকেই রাতের ট্রেনেই রওনা হন।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলছেন ওপেনার সৌম্য সরকার, প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলছেন ফিনিশার আরিফুল হক ও জাকির হাসান।, শেখ জামাল ক্রীড়া চক্রের হয়ে খেলছেন আবু জায়েদ রাহি। আর শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও আফিফ হোসাইন।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা সাধারণত কোনো ক্রিকেট সিরিজ শেষ করে বিশ্রাম নিয়ে পরদিন দলের সাথে ভ্রমণ করে। কিন্তু ম্যাচ খেলার পর রাতেই ভ্রমণ করে সকালে মাঠে নামার বিষয়টি প্রশ্ন তৈরি করেছে ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে।

আন্তর্জাতিক একটি ম্যাচ খেলেই এভাবে ট্রেনে সফর করে ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নেয়াকে কিভাবে দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)’র ডিসিপ্লিনারি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শেখ সোহেল বলেন, ‌‘এটা সম্পূর্ণ পেশাদারি ব্যাপার। আজ যদি চাকরি করার জন্য কাউকে বলা হয় যে চট্টগ্রাম যেতে তবে এখনই যেতে হবে।’

পরপর দুদিন ম্যাচ খেললে ফিটনেসে প্রভাব ফেলতে পারে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আজ যদি আপনার শরীর খারাপ করে তবুও কিন্তু আপনাকে অফিস করতেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, দেশের হয়ে খেলার পরপরই ক্লাব ক্রিকেটে অংশ নেয়া শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ নয়। তারা সবাই বেতন-ভুক্ত ক্রিকেটার। বেতন না পেলে অন্যান্য বিষয়গুলো সামনে আসতো।

ad

পাঠকের মতামত