198272

খালেদা জিয়ার রায় ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবে: জামায়াত

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ২০দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী। সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আদালতকে ব্যবহার করে এ রায় দিয়েছে। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দণ্ডিত করার যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এ রায় জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। আর জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির এটাকে সরকারের রাজনৈতিক রায় হিসেবে দেখছে। গতকাল দলের এক বিবৃতিতে ভারপ্রাপ্ত আমীর মুজিবুর রহমান বলেন, ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

সরকার ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার পাঁয়তারা করছে। এরই অংশ হিসেবে এসব রায় দেয়া হচ্ছে। এসব রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রথম শিকার জামায়াতের শীর্ষ নেতারা। বিচারের নামে প্রহসন করে সরকার জামায়াত নেতাদের একে একে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাকে সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে। সরকার সারা দেশে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়ে ২০দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে।

২০দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, জামায়াতের আমীর মকবুল আহমাদসহ ২০দলীয় জোটের গ্রেপ্তার হওয়া সব নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয় জামায়াতের পক্ষ থেকে। খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে ২০দলীয় জোটের আরেক শরিক দল খেলাফত মজলিস। দলের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি করেন। এতে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনের আগে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রিয় নেত্রীকে এভাবে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে নির্বাচনের বাইরে রাখতে চায়। এতে দেশের রাজনৈতিক সংকট আরো ঘনীভূত হবে বলে শঙ্কা করা হয় এ দলের পক্ষ থেকে।
সূত্র: এমজমিন

ad

পাঠকের মতামত