ইউএনওর অফিস সহকারী ফেরত দিলেন ঘুষের টাকা!
ডেস্ক রিপোর্ট।। জেলা প্রশাসকের কাছে ধরা খেয়ে ঘুষের এক লাখ টাকা ফেরত দিলেন মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের অফিস সহকারী ফসিয়ার রহমান।
উপজেলা পরিষদের জমিতে দোকান বরাদ্দের নামে তিনি তারই এক সহকর্মীর কাছ থেকে এ ঘুষের টাকা নিয়েছিলেন। বুধবার মাগুরা জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে তার কার্যালয়ে ঘুষের টাকা ফেরত দেন ফসিয়ার।
মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের অফিস সহকারী মনিরা খাতুন গত সেপ্টেম্বরে এই অর্থ দিয়েছিলেন একই অফিসের তৎকালীন অফিস সহকারী বর্তমানে মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদে একই পদে কর্মরত ফসিয়ার রহমানকে।
মনিরা খাতুন জানান, মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে শহীদ আবদুর রশিদ মার্কেটের সম্প্রসারিত অংশের একটি দোকান বরাদ্দ নেওয়ার জন্য তিনি ফসিয়ার রহমানের সঙ্গে গত বছরের সেপ্টেম্বরে যোগাযোগ করেন। এ সময় ফসিয়ার রহমান তার কাছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। মনিরা খাতুন তাকে ১ লাখ টাকা দেন। সেপ্টেম্বর মাসে উপজেলা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক মনিরা খাতুনকে যে দোকান ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয় সেখানে চুক্তি মূল্য মাত্র ২০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মনিরা খাতুন বিষয়টি মাগুরার জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমানকে অবহিত করলে বুধবার জেলা প্রশাসক ফসিয়ার রহমানকে নিজ কক্ষে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘুষ গ্রহণের কথা স্বীকার করেন। জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিক ঘুষের টাকা ফেরত দিতে বলেন। কিছু সময় পর ফসিয়ার রহমান মনিরা খাতুনকে ১ লাখ টাকা ফেরত দেন।
মনিরা খাতুন আরও জানান, জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ফসিয়ার রহমানকে চুক্তি মূল্য ২০ হাজার টাকা রেখে অতিরিক্ত ৮০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু ফসিয়ার রহমান পুরো ১ লাখ টাকাই ফেরত দেন।
মাগুরা জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান বলেন, ফসিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফসিয়ার রহমান বলেন, মনিরা খাতুন ঘর পাওয়ার জন্য জোর করে তাকে টাকা দিয়েছিলেন। এর সঙ্গে অন্যদের সংশ্নিষ্টতা থাকলেও টাকা যেহেতু তিনি নিয়েছেন, সে কারণে নিজে দায়ভার নিয়ে টাকা ফেরত দিয়েছেন। উৎস: সমকাল।










