195863

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূতের ‘বাসা’, আতঙ্কের ছবি ভাইরাল

তরাই অঞ্চলের প্রায় দেড় কিলোমিটার বিস্তৃত উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসের মধ্যেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে শাল-সেগুনের দল। এক বিভাগ থেকে আরেকটি বিভাবে দূরত্ব যা, তাতে হেঁটে পৌঁছানই মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ নৃতত্ব ও অঙ্কের বিভাগের মাঝের রাস্তাটিতে যেন ঝোপঝাড়, গাছ-গাছালির সংখ্যা একটু বেশিই। সন্ধ্যের পর প্রায় নির্জন উপত্যকায় পরিণত হয়। সেখানেই ঘটল ঘটনা। রটল অশরীরীর আতঙ্কের রটনা। ভাইরাল হল ছবি।

ঘটনাটি ঘটেছে দিন তিন-চারেক আগে। এমন ছবি ভাইরাল হওয়ার পর ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। দাবি উঠেছে, ক্যাম্পাসের ওই চত্বরে নাকি অশরীরীর বাস রয়েছে। যা ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। রটনা রটতে বেশি সময় লাগেনি। দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়েছে এমনই একাধিক ছবি। খবর চাউর হতেই অনেকেই সন্ধ্যে নামলেই ক্যাম্পাসে ভিড় জমাচ্ছেন। ভূতের দর্শন পাওয়ার আশায়। প্রায় ছোটখাটো পর্যটনস্থল হয়ে উঠেছে জায়গাটি।

কিন্তু রাত বাড়লে ভিড়ও কমছে। নির্জন জায়গায় একা যাওয়ার সাহস খুব একটা কেউ দেখাচ্ছে না। এর মধ্যেই না মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে গুঞ্জন। কেউ কেউ বলছেন, এমন নির্জন স্থানে আত্মার বিচরণ থাকতেই পারে। যুক্তিবাদীরা আবার এ তথ্য মানতে নারাজ। তাঁদের মতে, ফটোশপের মাধ্যমে এ ছবি তৈরি করা হয়েছে। যাতে অযথা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

তবে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয় পুরুলিয়ার বেগুনকোদরের ঘটনা। দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের রাঁচি ডিভিশনের কোটশিলা-মুরি শাখায় পুরুলিয়ার বেগুনকোদর স্টেশন গত পাঁচ দশক ধরে ‘ভুতুড়ে স্টেশন’ বলে সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছিল। এমনকী, এই আতঙ্কের জেরে বহুদিন এই স্টেশনও বন্ধ ছিল। বছর দশেক আগে স্টেশনটি চালু হলেও ভূতের আতঙ্ক তাড়া করে ফেরে যাত্রীদের। সেই আতঙ্কেরই অবসান হয়েছিল বিজ্ঞান মঞ্চ ও পুলিশের হাত ধরে৷ জানা যায়, কয়েকজন দুষ্কৃতীই এই কাণ্ড ঘটাচ্ছিল৷

ad

পাঠকের মতামত