194564

মেয়েকে এপিএস নিয়োগ দেওয়া নিয়ে যা বললেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তারই মেয়ে কানিজ ফাতেমা চৈতী। দাফতরিক কাজের পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সহায়তা পেতেই নিজের মেয়েকে এপিএস করেছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। বুধবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

এপিএস হিসেবে কানিজ ফাতেমা চৈতীকে নিয়োগ দেওয়া প্রসঙ্গে বুধবার বিকালে  কথা বলেছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। কেন নিজের মেয়েকে নিয়োগ দিয়েছেন জানতে চাইলে কাজী কেরামত আলী বলেন, ‘আমার মেয়ে যুবলীগ করে। রাজনৈতিকভাবে আমার কাজে সহযোগিতার জন্য তাকে নিয়োগ দিয়েছি।’

এছাড়া রাজনৈতিক ও দাফতরিক কাজে সহায়তার জন্য বিশ্বাস রাখা যায় এমন একজনকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান প্রতিমন্ত্রী।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) চৈতীকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এপিএস হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আলিয়া মেহের স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীর অভিপ্রায় অনুযায়ী কানিজ ফাতেমা চৈতীকে তার এপিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কাজী কেরামত আলী যতদিন প্রতিমন্ত্রী পদে থাকবেন কিংবা কানিজ ফাতেমাকে ওই পদে রাখতে চাইবেন ততদিন এই নিয়োগ আদেশ কার্যকর থাকবে।’

চাকরি পেয়ে বুধবার দুপুরের আগে কাজে যোগ দেন চৈতী। প্রথম দিন কিছু সময় কর্মস্থলে থেকে বেরিয়ে পড়েন তিনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চৈতী দেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ডিগ্রি নিয়েছেন। এর আগে ভূঁইয়া একাডেমি থেকে এলএলবি অনার্স ডিগ্রি নেন তিনি।

এপিএস হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে জেট এয়ারওয়েজের বিক্রয় ও বিপণন সমন্বয়ক পদে কর্মরত ছিলেন চৈতী। তার স্বামী আসিফ ইকবাল মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। চৈতীর শ্বশুর হাবিবুর রহমান বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য। তার দাদা প্রয়াত কাজী হেদায়েত হোসেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও গণপরিষদের সাবেক সদস্য।

উৎসঃ বাংলা ট্রিবিউন

ad

পাঠকের মতামত