অ্যাগোরার চেয়ারম্যান কারাগারে ভেজাল ঘি বিক্রির দায়ে
ভেজাল ঘি বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সুপারশপ অ্যাগোরার চেয়ারম্যান নিয়াজ রহিমকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক বিশেষ মহানগর হাকিম মো. মাহবুব সোবহানী বৃহস্পতিবার একই অভিযোগের দুটি মামলায় এই রায় দেন। ঢাকা দক্ষিণের নগর ভবনের দশ তলায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাগোরা চেয়ারম্যান নিয়াজ রহিম।
দুই মামলার প্রত্যেকটিতে নিয়াজ রহিমকে এক বছর করে কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ না দিলে তাকে আরও এক মাস কারাগারে থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক মাহবুবে সোবাহান এই আদেশ দেয়ার পর অ্যাগোরা মালিককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্যানিটারি ইনস্পেক্টর ফখরুদ্দীন মোবারক জানান, ২০০৮ সালে অ্যাগোরার মগবাজার শাখা থেকে ‘অনীল ঘোষের স্পেশার গাওয়া ঘি’ এবং ‘কুষ্টিয়া গাওয়া ঘি’ নামে দুটি ব্র্যান্ডের ঘিয়ের নমুনা জব্দ করেন তারা। এরপর পরীক্ষায় পাঠানো হলে দুটি নমুনাকেই ভেজাল পাওয়া যায়। পরে বিক্রয়কেন্দ্র থেকে জব্দ করা দুটি ঘিয়ের নমুনাতে ভেজাল পাওয়া যায়। এরপর দুটি আলাদা মামলা হয়। এ মামলা যেন চলতে না পারে সে জন্য অ্যাগোরার মালিক জজ আদালত এবং উচ্চ আদালতে যাওয়ায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে এর শুনানি করতে দেরি হয়েছে।
অ্যাগোরার চেয়ারম্যান নিয়াজ রহিম ব্যবসায়ী গ্রুপ রহিমআফরোজ গ্রুপের একজন পরিচালক। এই গ্রুপের আরও কয়েকটি কোম্পানির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন তিনি। তবে অ্যাগোরার ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ এখন রয়েছে ইক্যুইটি ফান্ড ব্রামার অ্যান্ড পার্টনারস অ্যাসেটস ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশের হাতে।
রাজধানী যে কয়েকটি সুপার শপ পণ্য বিক্রি করে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অ্যাগোরা। নিত্য প্রয়োজনীয় ও মানসম্পন্ন পণ্য একই ছাদের নিচে পৌঁছে দেয়ার স্লোগানকে সামনে রেখে ২০০১ সালের ২৪ আগস্ট ধানমন্ডির রাইফেলস স্কয়ারে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে রাজধানীতে প্রতিষ্ঠানটির ১৫টি বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। ২০১৫ সালে ‘শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ পায় প্রতিষ্ঠানটি।










