187842

জানেন, শীতকালে মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হয় কেন?

দ্যাখ দ্যাখ… আমার মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে বলে হাঃ… করে ভেতর থেকে শ্বাস ছেড়ে দিতাম। আর তখনই বের হয় সাদা রঙয়ের ধোঁয়া জাতীয় কিছু। এধরনের প্রতিযোগিতা করতাম ছোটবেলায়। আর শীতে এধরনের মজা করেননি এমন মানুষ বুঝি খুব কম পাওয়া যাবে। দুয়ারে কড়া নাড়তে নাড়তে চলে এসেছে সেই মজার শীত। ষড়ঋতুর এই দেশে শীত আসে উৎসবের আমেজ নিয়ে। শীতের দিনে শিশির এবং কুয়াশার সাথে আমাদের সবার পরিচয় ঘটছে নতুন করে।

শীতের সকালে আমাদের মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হয়। কথা বললে বা ফুঁ দিলে মুখের সামনে ধোঁয়ায় ভরে যায়। শুধু যে আমাদের মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হয় তা নয় গরু, ছাগল, কুকুরের মুখ দিয়েও ধোঁয়া বের হয়। এখন জেনে নাও এমনটি কেন হয়।

শীতের সময় বাতাস খুব ঠাণ্ডা থাকে। এ সময় বাতাসে লক্ষ লক্ষ পানির কণা ভেসে বেড়ায়। বাতাসের তুলনায় আমাদের শরীরের তাপ তখন বেশি থাকে। কথা বলার সময় তাই মুখ দিয়ে গরম বাতাস বের হয়। মুখ দিয়ে বের হওয়া ওই বাতাস বাইরের ঠাণ্ডা পানিকণার সাথে মিশে ঘন পানিকণায় পরিণত হয়। এই ঘন পানিকণাগুলোকে তখন ধোঁয়ার মতো দেখায়।

এ জন্য মনে হয় নাক, মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে। আসলে এগুলো ধোঁয়া নয়, ঘন পানির কণা।‘আমার মৃত্যুতেও দাবি পূরণ হলে তোমরা কাঁদবে না’

‘বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসার সময় দুই ছেলে মেয়ে ও স্ত্রীকে বলে এসেছি আমরণ অনশনে ঢাকা যাচ্ছি। দাবি পূরণ না হলে ফেরা হবে না। আমার মৃত্যুতেও যদি দাবি পূরণ হয় তোমরা কাঁদবে না। এ দাবির সঙ্গে শুধু টাকা নয়, সম্মানও জড়িত।’

শনিবার রাত ৯টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বেতন বৈষ্যম্য দূরীকরণে আমরণ অনশনরত শিক্ষকদের একজন বক্তৃতাকালে এ কথা বলছিলেন। একই সুরে সুর মিলিয়ে উপস্থিত সবাই ম্যারাথন বক্তৃতাকালে জীবন দিয়ে হলেও দাবি পূরণ করে বাড়ি ফেরার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছিলেন।

প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণের দাবিতে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের ব্যানারে সকাল থেকে আমরণ অনশন শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, আলো আধারি পরিবেশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে দেশের শত শত শিক্ষক অবস্থান করেছে। হঠাৎ করে শহীদ মিনারের পাদদেশে তাকালে মনে হবে যেন ‘রোহিঙ্গা’ উদ্বাস্তু আশ্রয় কেন্দ্র। কেউ পলিথিন টানিয়ে, কেউ পেপার বিছিয়ে কেউবা মোমবাতি জ্বালিয়ে শুয়ে বসে আছে। তাদের সবার সামনে দুই একটি করে ব্যাগ।

সারাদিনের ক্লান্তিতে অনেকে মাটিতেই গা এলিয়ে দিয়েছেন। কেউবা শীতে জবুথবু হয়ে পাতলা কম্বল কিংবা চাদর মুড়ি দিয়ে বসে আছেন। কেউবা আবার এদিক সেদিক ঘুরাফেরা করছেন। দুই একজন ভলান্টিয়ার শিক্ষক শহীদ মিনারের মূল বেদিতে যেন জুতা পায়ে কেউ না উঠেন সেদিকে খেয়াল রাখছেন।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার একটি স্কুলের সহকারী শিক্ষক পারুল মণ্ডল রাণী শীতে জবুথবু হয়ে বসেছিলেন। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, গতকাল বাড়ি থেকে এলাকার অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে এসেছেন। প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচের বেতন স্কেল পাওয়ার দাবিতে আমরণ অনশন করতে এসেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন সরকার তাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেবেন।

পঞ্চগড় জেলার দেবিগঞ্জ উপজেলা থেকে ৩০ শিক্ষক এসেছেন। দেবিগঞ্জের প্রগতি পাড়া সরকারি প্রাথামিক বিদ্যালয়ে ১৮ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন ফারুক বসুনিয়া। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন প্রাথমিক শিক্ষকদের জাতীয়করণ করেন তখন প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের বেতনের পার্থক্য মাত্র ১০ টাকা ও বেতন স্কেল এক ধাপ নিচে ছিল। কিন্তু মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকারের সময় বেতন স্কেল তিন ধাপ নামিয়ে দেয়া হয়। তাদের দাবি আগের মতো প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই যেন তাদের বেতন স্কেল নির্ধারণ হয়।

সূত্রজাগোনিউজসাইথউথউথডিভোর্স, অত:পর জানেনকে মজেছেন কার প্রেমে?

বিনোদন ডেস্ক : শখ- নিলয় এ বছরের শুরুতে বিয়ে করলেন। অনেকটা হঠাৎ করে বিয়ে। দীর্ঘদিন প্রেমই নয়, মাঝে মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ব্রেক আপের পর কখন যেন প্যাচ আপ হয়ে গেছে সবারই অজান্তে।

ভালোই চলছিল, বছর না পেরুতেই ডিভোর্সের গুঞ্জন। সত্যতাও রয়েছে যথেষ্ঠ। ডিভোর্স নিয়ে কেউই মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে জানিয়েছেন বনিবনা না হওয়াতে নিলয়ের বাসা ছেড়ে গেন্ডারিয়ায় মায়ের বাসায় চলে যান শখ।

অত:পর কেমন চলছে তাদের জীবন? দুজনেই জমিয়ে অভিনয় করছেন। দুজনেই নাকি প্রেমে পড়েছেন। বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার আগেই জীবনের গতিপথ বদলে নিতে সময় নেননি মোটেই। হলিউড তারকাদের ক্ষেত্রে অবশ্য এমনটা সাধারণ ব্যাপার। তাই বলে বাংলাদেশে? হতেই পারে। তারকা বলে কথা। তারার দেশে তাদের বাস।

তো তারা কার প্রেমে মজেছেন? শখ মজেছেন কোন এক নাট্য পরিচালকের প্রেমে। তাঁর সঙ্গে শখ বিদেশ বিভুইয়েও শুটিং করে এসেছেন। বর্তমানে তার নাটকেই বেশি অভিনয় করে থাকেন শখ। সেই নির্মাতা সম্প্রতি সিনেমার ঘোষনা দিয়েছেন। হতে পারেন সেই সিনেমার নায়িকাও। শখের ঘনিষ্ঠ এক অভিনেত্রীর মারফত এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

অপরদিকে নিলয়ও কম যাননি, সারিকার সঙ্গে সখ্যতাটা নাকি আজকাল একটু বেশিই। সেই সখ্যতাটা কি শুধুমাত্র বন্ধুত্বের বাধনেই সীমাবদ্ধ নাকি খানিকটা এগিয়ে গিয়েছে। সেটা কাছের মানুষরা আঁচ করতে পারলেও মুখ খুলতে রাজি নন। তাদের ভাষ্যে, ‘হতে পারে এমনটা। খোঁজ নিয়ে দেখুন। আপাতত যথেষ্ঠ প্রমান না থাকলেও গুঞ্জন কে আটকায়!’
সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

ad

পাঠকের মতামত