179657

শুরুতে ঝড় তোলা চিটাগাংকে ১৪৩ রানে থামাল সাইফ

টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে কি ভুল করে বসলেন কুমিল্লা আধিনায়ক মোহাম্মদ নবী? নিয়মিত অধিনায়ক তামিম ইকবাল নেই। তার পরিবর্তে দলের নেতৃত্ব পেয়েছেন। কিন্তু প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছে সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে। চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ। কিন্তু এম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে কি ঝড়ো শুরু চিটাগংয়ের। তবে সেই ঝড় তোলা চিটাগংকে পরে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৪৩ রানেই আটকে রাখলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। নির্ধারদি ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান করে চিটাগং। কুমিল্লার এ ম্যাচ জিততে চাই ১৪৪ রান।
.
অথচ টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কি শুরুটাই না পেয়েছিল চিটাগং ভাইকিংস! ৫ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে করে ৫৪ রান। ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৯১। মারমার কাট-কাট শুরুটা সৌম্য সরকার আর লুক রনকির ব্যাটে। রনকি ২১ বলে ৪০ রান করে ভালো শুরুর কাজটা করে দেন। ৩টি ছক্কা ও ৪টি চার হাঁকান এই ওপেনার। ষষ্ঠ ওভারে তিনি ফেরার পর সৌম্য পুরো দায়িত্বটাই নিয়েছিলেন। কিন্তু মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন এক ওভারেই সৌম্য ও এনামুল হক বিজয়কে ফিরিয়ে কুমিল্লাকে পথে ফেরাচ্ছেন।

প্রথমে রনকি ফেরার পর দিলশান মুনাবিরা উইকেটে আসেন। সৌম্যর সাথে মিলে দলকে ছোটালেন ছন্দেই। তবে শুরুর মতো অতো আগ্রাসী নয় তখন তারা। ১০১ রান পর্যন্ত দলকে নিয়ে দ্বাদশ ওভারে মুনাবিরা ফেরেন ২১ রান হাতে। ডোয়াইন ব্রাভোর শিকার তিনি। এক ওভার পরই প্রতিরোধ ভাঙে সৌম্যর। ৩৩ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৮ রান দিয়ে গেছেন তিনি। ওই ওভারের তৃতীয় বলে সৌম্যকে ফেরানোর পর হালের সেনসেশন সাইফ উদ্দিন পঞ্চম বলে শিকার করে ফেলেন এনামুল হক বিজয়কেও (৩)। পরে ফিরিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী শুভকেও। ১০৭ রানে ৪ উইকেটে হারানোর পর আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি চিটাগং। শেষ পর্যন্ত সিকান্দার রাজার ১৩ বলে অপরাজিত ১৮ রানে ১৪৩ রান করে দলটি।

কুমিল্লার পক্ষে সাইফ উদ্দিন সর্বোচ্চ ৩ উইকেটে নেন। ডোয়াইন ব্রাভো নিয়েছেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেটে নিয়েছেন আল-আমিন হোসেন ও মোহাম্মদ নবী।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *