179199

ইডেনের সামনে প্রেমিক-প্রেমিকাদের অনৈতিক আচরণ!

সন্ধ্যা নামলেই রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের সামনে দেখা যায় অশালীন ভাবে জোড়ায়-জোড়ায় বসে আছে প্রেমিক-প্রেমিকা। সময়ের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বদলাতে থাকে তাদের চারিত্রিক রুপ। সেখানেই গড়ে উঠে রাজধানীর বিভিন্ন পার্কে ঘটে যাওয়া নানান চিত্র। একে অপরকে অস্বাভাবিকভাবে জড়িয়ে থাকে। মাঝেমধ্যে দেখা যায় একই চাদরের মধ্যে দুজন। প্রেমিক-প্রেমিকারা একে অপরকে সময় দিতে নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন এ স্থানটি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা হলেই ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের অনেক শিক্ষার্থীরা ফুচকা খাওয়ার নামে আড্ডা জমায় ইডেন মহিলা কলেজের সামনে। এসব আড্ডার মধ্যে চলে নানান ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড। জোড়ায় জোড়ায় বসেন গাছের নিচে কিংবা কোনো অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে। অনেকে বসেন সড়কের পাশের ল্যাম্পের নিচে। প্রথমে বিভিন্ন বিষয়ে গল্প দিয়ে আলাপ শুরু করলেও সময় বাড়ার সাথে সাথে পারবর্তন হয় তাদের আচার আচরণের।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘এই স্থানটি সব দিক থেকে নিরাপদ। শিক্ষার্থীরা এখানে বসে আড্ডা দেয়। তবে অনেকে আবার আড্ডা বা প্রেমেনে নামে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এটা ঠিক নয়। তবে আমরা যারা এখানে আসি তারা হয়তো কোন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পড়ার জন্য নোট বা বই নিতে আসি।’

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ইডেন মহিলা কলেজের সামনে অবস্থান করে দেখা যায়, নীলক্ষেত মোড় থেকে একটু সামনে যেতেই বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জোড়ায়-জোড়ায় বসে আছে। একে অপরে সাথে খুব ঘনিষ্টভাবে…। এ সময় এসব দেখে অনেক পথচারী বিভ্রান্তিকর অবস্থার মধ্যে পরে যায়। সড়কে মানুষের চলাচল কমে গেলে এসব ঘনিষ্টতার আকার আরও ভয়াবহ অবস্থায় রুপ নেয়।

সড়কের পাশের ফুচকা দোকানদার বলেন, তারা আসে বলেই আমাদের ব্যবসা। তারা কে কী করছে এগুলো আমাদের দেখার বিষয় না। এ রকম দৃশ্য দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।

শিক্ষার্থীদের এরকম সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে মনে করছেন দেশের বিশিষ্টিজনরা। তাদের দাবি সরকার ও শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের নৈতিকজ্ঞানের দিকেও খেয়াল রাখা। যাতে আগামী বাংলাদেশ সুন্দর হয়।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *