173399

প্রধানমন্ত্রীর বেতন ১ লাখ ১৫, আর প্রধান বিচারপতির বেতন কত? জানলে অবাক হবেন

অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো অনুযায়ী, বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীদের সর্বোচ্চ মূল বা ‘বেসিক’ বেতন ৭৮ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ হাজার ২৫০ টাকা৷ ২০১৫ সালে এই কাঠামো অনুমোদন করে সরকার৷ কাঠামো অনুযায়ী কার বেতন কত জেনে নিন।

রাষ্ট্রপতি
বর্তমানে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির মূল বেতন মাসে এক লাখ ২০ হাজার টাকা৷

প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে এক লাখ ১৫ হাজার৷ মাসিক বাড়ি ভাড়া এক লাখ টাকা, প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক ভাতা তিন হাজার টাকা৷

স্পিকার
পার্লামেন্ট স্পিকার বেতন পান ১ লাখ ১২ হাজার টাকা৷

প্রধান বিচারপতি
প্রধান বিচারপতি বর্তমানে বেতন পান ১ লাখ ১০ হাজার টাকা৷

হাইকোর্টের বিচারক
উচ্চ আদালতের বিচারকরা মাসে বেতন পান ৯৫ হাজার টাকা৷

মন্ত্রী
বর্তমানে বাংলাদেশের মন্ত্রীদের বেতন ১ লাখ ৫ হাজার৷ এছাড়া ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের নেতা, চিফ হুইপ একই বেতন পান৷ প্রতিমন্ত্রীর বেতন ৯২ হাজার এবং উপমন্ত্রীর বেতন ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা৷

সংসদ সদস্য
বর্তমানে সংসদ সদস্যদের মাসিক বেতন ৫৫ হাজার টাকা৷

তিন বাহিনীর প্রধান
সেনা, নৌ-বাহিনী এবং বিমান বাহিনী প্রধানের নির্ধারিত বেতন বর্তমানে ৮৬ হাজার টাকা৷ সর্বোচ্চ স্কেলের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা হলেও মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং তিনবাহিনী প্রধানের মূল বেতন ৮৬ হাজার টাকা এবং জ্যেষ্ঠ সচিবদের ক্ষেত্রে ৮২ হাজার টাকা৷

ন্যূনতম মজুরি
বাংলাদেশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে, ন্যূনতম মজুরি বোর্ড অনুসারে, বাংলাদেশে কোনো ন্যূনতম মজুরি আইন নেই, তবে শ্রম আইন বিষয়ক একটি নির্দিষ্ট আইন আছে যা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০১৩ (সংশোধিত) নামে পরিচিত৷

ন্যূনতম বেতন পোশাক শিল্পে
বাংলাদেশে ন্যূনতম বেতন পায় পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা৷ কয়েক দফা বেড়ে ৫ হাজার ৩০০ (৬৬ দশমিক ৮৮ ডলার) টাকায় পৌঁছেছে শ্রমিকদের মাসিক মজুরি৷

এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন
২০১৩ সালে গার্মেন্টস সেক্টরে ন্যূনতম মজুরি ধার্য্য করা হয়েছে ৫৩০০ টাকা৷ এর মধ্যে মূল বেতন ৩০০০ টাকা, বাসা ভাড়া ১২০০ টাকা, চিকিৎসা ২৫০ টাকা, যাতায়াত ২০০ টাকা এবং খাদ্যভাতা ৬৫০ টাকা৷ যা এশিয়ার যে কোনো দেশের চেয়ে অনেক কম।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

অন্যরা যা পড়ছে

ঢাকায় জিরো হাতে আসা শুভ’র খাবার পয়সা ছিল না

আমি আরিফিন শুভ, আমি ঢাকায় জিরো হাতে এসেছি। থাকার জায়গা ছিল না, খাবারের পয়সা ছিল না। মফস্বল থেকে এসেছি একটি ক্ষ্যাত ছেলে। আমিও কম হতাশ ছিলাম না। আমার আশেপাশে অনেক ড্রাগ নেওয়ার সুযোগ ছিল, মাদকাশক্ত প্রচুর ছিল। আমি সে পথে পা বাড়াইনি। আমিও তো তাঁদের মতো হয়ে যেতে পারতাম। হইনি। কথা গুলো বলছিলেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ।

তিনি বলেন, আমার সমালোচনা যারা কারো তারাই আমার বন্ধু তাঁদেরকে স্পেশালি থ্যাঙ্কস। আমার যতই সমালোচনা হবে ততই আমি স্ট্রং হবো, ততই কাজ করতে থাকবো।

সম্প্রতি একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এসে তরুণ প্রজন্মের হতাশা নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকাই ছবির এই নায়ক। হতাশা থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেন। ডিপ্রেশন থেকে বের হয়ে আসার পরামর্শ দেন। ফুটবলকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘জাগো’র মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখেন আরিফিন শুভ। এরপর ঢাকাই ছবির শীর্ষ কয়েকজন অভিনেতার মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করে নেন হালের এই জনপ্রিয় অভিনেতা।

শুভ বলেন, তরুণ প্রজন্ম দিনশেষে অনুভব করছে, কি যেন নেই। কিসের যেন শূন্যতা। আমরা কি সহজে হাল ছেড়ে দিচ্ছি? সহজে গা ছেড়ে দিচ্ছি? একঘেয়েমি চলে আসছে জীবনে। আমরা আসলে নিজস্বতা হারিয়ে ফেলছি। রফিক এটা করছে, আমাকেও এটা করতে হবে, সাবিনা এটা করছে আমাকেও এটা করতে হচ্ছে। ফলে আমরা নিজেকে হারিয়ে ফেলছি। ফলে সহজেই হতাশ হয়ে যাচ্ছি। আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে।

ঢাকাই ছবির এই নায়ক বলেন, তোমরা যারা এই মুহূর্তে হতাশ হয়ে আছো। তোমরা যারা ডিপ্রেশড। তোমরা মনোযোগ দিয়ে শোনো। আমরা যেমন জিমে গিয়ে ধীরে ধীরে ওজন উত্তোলনের ক্ষমতা বাড়াই, ঠিক আমাদের লাইফেও নিয়মিত পকেটে ইনভিজিবল ওয়েট ঢুকাই। যখন আমাদের টাইম আসে তখন আমরা ওই ওয়েট পকেট থেকে বের করে বাইরে রেখে মরে যাই। তাহলে আমরা ওয়েট কেন ক্যারি করলাম এতোদিন? হোয়াই?

আরিফিন শুভ বলেন, বয়ফ্রেন্ড চলে গেছে, গার্লফ্রেন্ড চলে গেছে, আত্মহত্যা করতে হবে কেন? বয়ফ্রেন্ড, গার্লফ্রেন্ড চলে গেছে, যাক। তারা জীবনটা তো আর নিয়ে যায়নি। তোমরা ভাবো, আমার সাথে কেন এটা হলো? রফিকের সাথে কেন হলো না। আরে এরকম সবার সাথেই হয়, তুমি জানো না।

বাংলা চলচ্চিত্রের এই তারকা বলেন, আমি আরিফিন শুভ আমি ঢাকায় জিরো হাতে এসেছি। থাকার জায়গা ছিল না। খাবারের পয়সা ছিল না। মফস্বল থেকে এসেছি একটি ক্ষ্যাত ছেলে। আমিও কম হতাশ ছিলাম না। আমার আশেপাশে অনেক ড্রাগ নেওয়ার সুযোগ ছিল, মাদকাশক্ত ছিল। আমি সে পথে পা বাড়াইনি। আমার সমালোচনা যারা কারো তারাই আমার বন্ধু তাঁদেরকে স্পেশালি থ্যাঙ্কস। আমার যতই সমালোচনা হবে ততই আমি স্ট্রং হবো, ততই কাজ করতে থাকবো।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *