184886

কেন চাইছেন প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ অপু, সর্বশেষ সাক্ষাৎকারে জানালেন আজ

 

বিনোদন ডেস্ক: তারকাজুটি শাকিব-অপুর বিবাহবিচ্ছেদ এখন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’। বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী গোপনে বিয়ে, সন্তান জন্মদান ও দীর্ঘদিন একসঙ্গে সংসার করার পর এবার সম্পর্কচ্ছেদের পথে এগোচ্ছে। অপুর দিক থেকে না হলেও স্বামী শাকিব খান এরই মধ্যে ডিভোর্স লেটারও পাঠিয়ে দিয়েছেন।

তালাকনামা পাঠানোর প্রায় ১২ দিন পর খবর আসে গণমাধ্যমের কানে। এর পর মুহূর্তেই ভাইরাল হয়- চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন তার স্বামী চিত্রনায়ক শাকিব খান। কিন্তু তখনও অপু বিশ্বাস ডিভোর্স লেটার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।

গত ২২ নভেম্বর অপুর বাসার ঠিকানায় শাকিব ডিভোর্স লেটার পাঠালেও তা গণমাধ্যমের খবরে আসে ৪ ডিসেম্বর। তারও দুদিন পর গতকাল বুধবার গণমাধ্যমের কাছে ডিভোর্স লেটার (চিঠি) হাতে পাওয়ার কথা স্বীকার করেন অপু। একইসঙ্গে তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

ঠিক তার আগের দিনই (মঙ্গলবার সন্ধ্যায়) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসের এক অংশে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অপু লিখেন- “আপনারা ২০০৫ সাল থেকে আজ অবধি আমার পাশে ছিলেন, আমার ভালো সময়/খারাপ সময়ে আপনাদের পাশে পেয়েছি। আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ, আমি আপনাদের অনেক শ্রদ্ধা করি। সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আপনারা আমাকে পাচ্ছেন না বলে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমাকে একটু সময় দিন, আমি ব্যাপারগুলো পর্যবেক্ষণ করছি। খুব শিগগিরই আপনাদের সাথে যোগাযোগ করবো।”

তবে সবশেষ বৃহস্পতিবার (০৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই নায়িকা জানান, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আদালত পর্যন্ত যাক এটা তিনি চান না। তার কথায়, এতে দুজনের সম্পর্কের আরও অবনতি হবে।
ওই সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন প্রশ্নে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি এই ডিভোর্স মানি না। না আমি মামলাবাজও না। আমি চাই আমাদের সম্পর্কের ভেতর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ করুক। কারণ তিনি একজন মমতাময়ী মা। তিনি অবশ্যই আমার জয়ের কথা ভাববেন। এবং একটা সুস্থ সমাধান দেবেন।’

এই নায়িকা আরও বলেন, ‘আমাদের ঝামেলাটা আর পারিবারিক নেই। এটা রাষ্ট্রীয় হয়ে গেছে। মানুষ একজন তারকার কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়। তাই ভাঙনের অনুপ্রেরণা আমি দিতে চাই না। আজকে আমি অপু বিশ্বাস বাংলাদেশে একটা পরিচিত মুখ। আমার সঙ্গে আমার ঘরে অবিচার হচ্ছে, তাহলে অন্য সাধারণ নারীরা, যারা অপু বিশ্বাস না, তাদের কী অবস্থা হচ্ছে ভাবুন একবার। এজন্যই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই।’

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে শাকিব-অপুর জুটি গড়ে ওঠে। ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিয়ে হয়। এ বছর ১০ এপ্রিল বিকেলে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছয় মাস বয়সের ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ে ও সন্তানের ব্যাপারে প্রথম মুখ খোলেন অপু। তারপর থেকেই তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়।

সূত্র: সময়ের কণ্ঠস্বর

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *